Home / রাজনীতি / আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে।।

আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে।।

অনলাইন ডেস্ক: আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ক্যাসিনো সম্রাট খ্যাত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে।বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হয় ১০ দিনের রিমান্ড শেষে।ঢাকা মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এই সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে সম্রাটের আইনজীবীরা আবেদন করেন তার জামিনের।অস্ত্র মামলায় পাঁচদিন ও মাদক মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত গত ১৫ অক্টোবর।

সম্রাটকে গ্রেফতার দেখানো-পূর্বক রিমান্ড শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল গত ৯ অক্টোবর।ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল কবির চৌধুরী শারীরিক অসুস্থতার কারণে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকায় সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে আদালতে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না বলে ওইদিন আদালতকে চিঠি দেন।সম্রাট অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত না করায় ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারী এই বিষয় শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছিলেন ১৫ অক্টোবর।বুকে ব্যথা অনুভব করায় সম্রাটকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হয় ৮ অক্টোবর সকালে। পরে সেখান থেকে তাকে স্থানান্তর করা হয় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে।সেখানে প্রথমে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয় তাকে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় সম্রাটকে শনিবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১১টা ২০ মিনিটে।জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহসিন আহমেদ বলেন,সম্রাটের জন্য গঠিত সাত সদস্যের মেডিকেল বোর্ডের সবাই দেখেছেন তাকে।তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।বোর্ডের সদস্যরা মনে করেন,তার হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন নেই।তাই তাকে দেওয়া হয় ছাড়পত্র।রমনা থানা পুলিশ অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো-পূর্বক ১০ দিন করে মোট ২০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গত ৭ অক্টোবর।আসামি সম্রাটের উপস্থিতিতে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন ও রিমান্ড শুনানির জন্য ৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেন ঢাকা মহানগর হাকিম ইয়াসমিন আরা।

রমনা মডেল থানায় ৱ্যাব-১ বাদি হয়ে এই মামলা দুটি দায়ের করে।ৱ্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক দুই মামলার বাদি। এর মধ্যে মাদক মামলায় আসামি করা হয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানকেও। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসার পর থেকেই তাকে নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়।অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মিলছিল না সম্রাটের।এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়।

এরপর ৫ অক্টোবর রাত থেকেই তার গ্রেফতার হওয়ার খবর এলেও পরদিন সকালে গ্রেফতার দেখানো হয় তাকে।গ্রেফতার করা হয় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে।তার সঙ্গে আরমানকেও আটক করা হয়।পরে ঢাকায় এনে তাদের ৱ্যাব প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে।ৱ্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে ৱ্যাবের একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে তালা ভেঙে সম্রাটের কার্যালয়ে ঢুকে অভিযান শুরু করে ৬ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে।ৱ্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম তার ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে।

বি: দ্র: ছবি সংগ্রহকরা

About admin

Check Also

বিএনপি মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও তাদের অন্তরে ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসা-ওবায়দুল কাদের।।

অনলাইন ডেস্ক :    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *