Home / সদ্য সংবাদ / ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতার-ফেনীর নুসরাত হত্যা…

ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতার-ফেনীর নুসরাত হত্যা…

অনলাইন ডেস্ক: সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনকে রাজধানীর শাহবাগ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ,ফেনীর নুসরাত হত্যার ঘটনায়।তথ্যমতে-তার গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন,রবিবার রাজধানীর রমনা জোনের উপকমিশনার মারুফ হাসান।মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন-গত ১৭ মে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মাদ আস সামছ জগলুল হোসেন। সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম এরপর থেকেই পলাতক রয়েছেন।ওসি মোয়াজ্জেম,ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার কয়েক দিন আগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে থানায় এলে তাকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে এবং তা ভিডিও করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত।ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।মোয়াজ্জেম হোসেনকে গত ১০ এপ্রিল সোনাগাজী থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়।তিনি রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে যোগদান করেন গত ১২ মে।আদালতের নির্দেশে তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)২৭ মে।সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসলাম জগলুল হোসেন ওসি মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ওই দিনই।আদালতে জামিন আবেদনও করেছিলেন গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির দুই দিন পরে।তিনি পলাতক ছিলেন তখন থেকেই।

তথ্যমতে-জানা যায়,পিবিআইয়ের তদন্তে থেকে,শাহাদত হোসেন শামীম,নুর উদ্দিন ও হাফেজ আব্দুল কাদের মাদ্রাসায় আসে এবং পরিকল্পনা মতো যার যার অবস্থানে যায় গত ৬ এপ্রিল সকালে।পলিথিনে করে আনা কেরোসিন তেল ও অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে থেকে আনা গ্লাস নিয়ে ছাদের বাথরুমের পাশে রেখে দেয় শাহাদত হোসেন।তিনটি বোরকা ও চার জোড়া হাত মোজা নিয়ে সাইক্লোন সেন্টারের তৃতীয় তলায় রাখে কামরুন্নাহার মনি।সাড়ে ৯টার দিকে বোরকা ও হাত-মোজা পরিধান করে সেখানে অবস্থান নেয় শাহাদত হোসেন শামীম,জাবেদ ও জোবায়ের।পরিকল্পনা মতো উম্মে সুলতানা পপি নুসরাতকে তার বান্ধবীকে মারধরের কথা বলে-নুসরাত পরীক্ষা দিতে এলে।দৌড়ে ছাদে যেতে থাকেনুসরাত।পপি নুসরাতকে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে বলে ও ভয় দেখায় দ্বিতীয় তলায় পৌঁছালে। কামরুন্নাহার মনি,শাহাদত হোসেন শামীম,জোবায়ের ও জাবেদ নুসরাতের পিছনে ছাদে যায়,নুসরাত মামলা তুলবে না বলতে বলতে ছাদে উঠলে।নুসরাত অস্বীকৃতি জানায় সেখানে তারা নুসরাতকে একটি কাগজে স্বাক্ষর দিতে বললে।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাম হাত দিয়ে নুসরাতের মুখ চেপে ধরে ও পপিকে বলে নুসরাতের বোরকার মধ্য থেকে ওড়না নেওয়ার জন্যশাহাদত হোসেন শামীম।ওড়না নিয়ে জুবায়েরকে দেয় পপি।পপি হাত বাঁধে ও জুবায়ের ওড়নার এক অংশ দিয়ে পা বাঁধে।এরপর তাকে শুইয়ে ফেলে পপি,মনি ও শামীম।নুসরাতের শরীরে জাবেদ কেরোসিন ঢালে।জুবায়ের তার কাছে থাকা দেয়াশলাই দিয়ে আগুন ধরিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যায় শামীমের ইঙ্গিতে।জবানবন্দিতে বলেছেশামীম,সে সব স্থানে কেরোসিন দেওয়া যায়নি,নুসরাতের মুখ ও পা চেপে ধরায়।

(বি:দ্র:ফাইল ছবি-তথ্য সংগ্রহকরা)

About admin

Check Also

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ফেরিঘাটে সব ধরনের যানবাহন ও যাত্রী পারাপার বন্ধ।।

অনলাইন ডেস্ক :    মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভুত সব ধরনের যানবাহন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *