Home / জাতীয় / ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলা পর্যবেক্ষণে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী-তথ্যমন্ত্রী।।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলা পর্যবেক্ষণে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী-তথ্যমন্ত্রী।।

অনলাইন ডেস্ক:  ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলা পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন।বলেছেন,তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।তথ্যমন্ত্রী বলেন,প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলার প্রস্তিুত ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে বারবার নির্দেশনা দিয়েছেন,নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন।আর যে বিএনপি আমাদের সরকারের প্রস্তুতিকে অপর্যাপ্ত বলছে,তাদের নেত্রীর প্রতি সম্মান রেখেই বলছি,তাদের সময় ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর যখন মানুষের লাশ পানিতে ভাসছে,সমস্ত চট্টগ্রামে লাশের গন্ধ,তখন বেগম খালেদা জিয়া দিনে সাতটি শাড়ি বদল করেছেনন ওয়াজ শরীফ আসায়।

তিনি এই কথা বলেন রবিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে।এই আলোচনা সভার আয়োজন করে শহীদ নূর হোসেন সংসদ।তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন,বিএনপি বলেছে,ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি নাকি যথেষ্ট নয়।অথচ ব্যাপক ও পর্যাপ্ত প্রস্তুতির ফলে আমাদের প্রাণ ও সম্পদ উভয়ই ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।আমি তাদের বলবো,নিজের চেহারাটা আয়নায় দেখতে।কারণ,তাদের সময়ে লাখ লাখ প্রাণহানি ও ব্যাপক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে।তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন,সে সময়ে বিমান বাহিনীর ৩৫টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল শুধু ব্যবস্থাপনার ত্রুটিতে,কারণ বিমান তো উড়িয়েই অন্যত্র নেয়া যেতো।বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারগুলো রাস্তায় চলে এসেছিলো।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এদেশের মানুষের প্রতি বঙ্গবন্ধুকন্যার গভীর মমতার কথা উল্লেখ করে বলেন,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা,যার রক্তধমনীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রক্তস্রোত প্রবাহমান,তিনি বারবার মৃত্যু উপত্যকা থেকে ফিরে এসে দেশ ও মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন,মেহনতী মানুষের জীবনের উন্নয়ন ঘটিয়েছেন।সে কারণেই শেখ হাসিনার অপর নাম গণতন্ত্র,মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর দেশ ও জাতির উন্নয়ন।তথ্যমন্ত্রী নূর হোসেন সম্পর্কে বলেন,নূর হোসেন ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের রক্ত বৃথা যায়নি।তাদের রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।সে সঙ্গে এই দেশের মানুষ ভাত ও ভোটের অধিকার পেয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন।এই সময় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা জানান সবাইকে।

বক্তব্য রাখেন শহীদ নূর হোসেন দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি তছলিম আহম্মেদের সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ,সহসভাপতি নূরুল আমিন রুহুল এমপি,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নান কচি,প্রচার সম্পাদক আকতার হোসেন,শহীদ নূর হোসেনের বড় ভাই মোহাম্মদ আলী হোসেন,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

বি: দ্র: ছবি সংগ্রহকরা

About admin

Check Also

বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রকাশ।।

অনলাইন ডেস্ক :    রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *