Home / জাতীয় / জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘাতকরা হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘাতকরা হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।।

অনলাইন ডেস্ক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘাতকরা হত্যা করলেও তার স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আসুন, আমরা জাতির পিতা হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করি।তার ত্যাগ এবং তিতিক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনাদর্শ ধারণ করে সবাই মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক,ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।প্রতিষ্ঠা করি জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ। জাতীয় শোক দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন,জাতির পিতার দূরদর্শী,সাহসী এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য।বাঙালি পেয়েছে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র,নিজস্ব পতাকা ও জাতীয় সংগীত।সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু যখন পুরো জাতিকে নিয়ে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত,তখনই স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধী চক্র তাকে হত্যা করে।এই হত্যার মধ্য দিয়ে তারা বাঙালির ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করার অপপ্রয়াস চালায়।

ঘাতকদের উদ্দেশ্যই ছিল অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাষ্ট্র কাঠামোকে ভেঙে আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতাকে ভূলুণ্ঠিত করা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত স্বাধীনতাবিরোধী চক্র ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর থেকেই হত্যা,ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু করে।তারা ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের পথও বন্ধ করে দেয়।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাবলেন,জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে।সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করে।বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করে।বিদেশে দূতাবাসে চাকরি দেয়।স্বাধীনতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের নাগরিকত্ব দেয়।রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদার করে।রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে পুনর্বাসিত করে।পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত সরকারও একই পথ অনুসরণ করে।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ঘাতকরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে।জাতির পিতার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব,পুত্র ক্যাপ্টেন শেখ কামাল,লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল,১০ বছরের শিশুপুত্র শেখ রাসেল,পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল,বঙ্গবন্ধুর সহোদর শেখ নাসের,কৃষক নেতা আব্দুর রব সেরনিয়াবাত,যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি,বেবী সেরনিয়াবাত,সুকান্ত বাবু,আরিফ,আব্দুল নঈম খান রিন্টুসহ পরিবারের ১৮ জন সদস্যকেও ঘৃণ্য ঘাতকরা এই দিনে হত্যা করে।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলও নিহত হন।

(বি:দ্র: ছবি-তথ্য সংগ্রহকরা)

About admin

Check Also

উপনির্বাচন-ভোটগ্রহণ চলছে ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনে।।

অনলাইন ডেস্ক :     আজ বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনে উপনির্বাচনে।ভোটগ্রহণ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *