Home / রাজনীতি / ঢাকা ৯ আসনের জনগণের আস্থার স্থল-ক্লিন ইমেজের হেভিওয়েট নেতা-সাবের হোসেন চৌধুরী…

ঢাকা ৯ আসনের জনগণের আস্থার স্থল-ক্লিন ইমেজের হেভিওয়েট নেতা-সাবের হোসেন চৌধুরী…

অনলাইন ডেস্ক:সাবের হোসেন চৌধুরী,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত,ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য-জন্ম ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৬১।সাবের হোসেন চৌধুরী একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সাবেক রাজনৈতিক সচিব। ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া উপজেলায় সাবের হোসেন চৌধুরীর পিতৃ-ভিটা।সাবের হোসেন চৌধুরীর শৈশব ও কৈশোর কাটে তার পিতৃ-ভিটা ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া উপজেলার রামনগর গ্রামের চৌধুরী বাড়ীতে।সাবের হোসেন চৌধুরীর পিতা,কর্ণফুলী গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান,বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী হেদায়েত হোসেন চৌধুরী এবং মা রাশেদ হোসেন চৌধুরী।

সাবের হোসেন চৌধুরী ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি ছিলেন।তাঁর সময়কালীন ২০০০ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ আইসিসি’র পূর্ণ সদস্য পদ এবং টেস্ট স্ট্যাটাস পায়। বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং বিশ্ব ক্রিকেটে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০২ সালের অক্টোবর মাসে লন্ডনে মেরিলিবোর্ন ক্রিকেট ক্লাব তাঁকে আজীবন সদস্যপদ প্রদান করে।আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের ও দেশের মর্যাদা বাড়িয়েছিলেন ব্যবসায়ী ও ক্রীড়ানুরাগী এই নেতা।

১৯৯৬ সালে ঢাকা-৬ নির্বাচনী আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ গঠিত সরকারের মন্ত্রীসভার তিনি ছিলেন কনিষ্ঠ সদস্য। প্রথমে তাঁকে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয়।পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী মাননীয় শেখ হাসিনার সাবেক রাজনৈতিক সচিব ছিলেন।২০০১ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনীত হন।২০০৩ সালের জানুয়ারি এবং অক্টোবর মাসে তিনি কারান্তরীণ থাকেন।২০০৩ সালের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা তাঁকে আখ্যায়িত করে ‘বিবেকর বন্দী’ হিসেবে।সে সময় এই সংস্থাটি তাঁর মুক্তির দাবীতে ‘আর্জেন্ট অ্যাকশন’ শীর্ষক ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়েছিল।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসন পুনর্বন্টনের হলে তার নির্বাচনী এলাকাটি হয় ঢাকা-৯ আসন। ওই নির্বাচনে তিনি বিএনপির শিরিন সুলতানাকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দশম জাতীয় নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি একই আসন থেকে পুনঃরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।সাবের হোসেন চৌধুরী ১৬ অক্টোবর ২০১৪ সালে ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ২৮তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ভোটে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী তিন প্রার্থীকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি তিন বছরের জন্য আইপিইউর প্রেসিডেন্ট হন।১৭ অক্টোবর ২০১৭ সালে তিনি রাশিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘বন্ধুত্বের অর্ডার’-এ ভূষিত হন।ইন্টার-পার্লামেন্টারি সম্পর্কের উন্নয়ন,রাশিয়ার ফেডারেল সভা ও আইপিইউ’র মধ্যে সহযোগিতা ও পারস্পরিক সমঝোতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তাকে এই পদক দেয়া হয়।

সজ্জন ও পরিচ্ছন্ন এই নেতা তিন দফায় ক্ষমতাসীন দলের এমপি থাকলেও তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়ম কিংবা সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ ওঠেনি।অমায়িক ও বিনয়ী ব্যবহারের কারণে দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের কাছেও জনপ্রিয় তিনি।আবার বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে কয়েক দফা সরকারি নির্যাতন,কারাভোগ ও হামলা-মামলার শিকার হওয়ায় তার প্রতি সহানুভূতিশীল দলের সব মহল।

লায়ন বাংলা নিউজ এর পক্ষ থেকে-বর্তমান সরকারের অব্যাহত সাফল্য সহ -মাননীয় এমপি জনাব সাবের হোসেন চৌধুরীর ও তার পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য,দীর্ঘায়ু,সুখ-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।

(বি:দ্র:ফাইল ছবি- তথ্য সংগ্রহকরা)

About admin

Check Also

বিএনপি মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও তাদের অন্তরে ষড়যন্ত্র ও প্রতিহিংসা-ওবায়দুল কাদের।।

অনলাইন ডেস্ক :    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *