Home / জাতীয় / দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।।

দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।।

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আহ্বান জানিয়েছেন,বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের জনগণকে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানের মতো মানবিক কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার।তিনি বলেন,স্বেচ্ছায় রক্তদানকে উদ্বুদ্ধ করতে আমরা কাজ করছি।স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিকে আরো বিস্তৃত করতে হবে যাতে মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদানে সচেতন ও আগ্রহী হয়। প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান শনিবার জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার দেওয়া এক বাণীতে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,আওয়ামী লীগ সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।নতুন নতুন মেডিকেল কলেজ,ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিতদের।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,আমাদের সরকার অন্ধত্ব প্রতিরোধে এবং চক্ষুরোগ চিকিৎসার উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।আমরা বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীকে অন্ধত্বের হাত থেকে রক্ষা করছি-জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ঢাকা ও গোপালগঞ্জে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল নির্মাণ করে ছানিসহ চোখের বিভিন্ন রোগের অপারেশনের মাধ্যমে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন,এতে করে স্বেচ্ছায় অঙ্গদান ও মৃত্যুর পর চক্ষুদানে আর জটিলতা থাকবে না।মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আইনানুগ কোনো উত্তরাধিকারের লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে অঙ্গ নেওয়া যাবে।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদ ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির উদ্যোগে আজ ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০১৯’  দেশব্যাপী পালন করা হচ্ছে জেনে প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট ধন্যবাদ জানান সবাইকে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিরাপদ রক্তের গুরুত্ব উপলব্ধি করে ১৯৭২ সালে বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।তিনি ১৯৭৫ সালে অন্ধত্ব সমস্যা সমাধানের জন্য ‘অন্ধত্ব মোচন অর্ডিন্যান্স’ জারি করেন।প্রথম জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হয় ১৯৯৬ সালে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সার্বিক সাফল্য কামনা করেন জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-২০১৯ এর।

বি: দ্র: ফাইল ছবি

About admin

Check Also

উপনির্বাচন-ভোটগ্রহণ চলছে ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনে।।

অনলাইন ডেস্ক :     আজ বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনে উপনির্বাচনে।ভোটগ্রহণ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *