Home / বিবিধ / বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন জেলায় দুই রোহিঙ্গাসহ নিহত চারজন।।

বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন জেলায় দুই রোহিঙ্গাসহ নিহত চারজন।।

অনলাইন ডেস্ক:  বিজিবি ও পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন জেলায় দুই রোহিঙ্গাসহ নিহত হয়েছেন চারজন।এদের মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফে দুইজন,জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে একজন ও একজন রয়েছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে।বন্দুকযুদ্ধের এসব ঘটনা ঘটে শুক্রবার ভোরে।পুলিশ জানায় নিহতদের মধ্যে ইয়াবা কারবারি,সন্ত্রাসী ও ডাকাত রয়েছে।

বিজিবির সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইয়াবা কারবারি দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন টেকনাফে।বিজিবির তিন সদস্য আহত হন এসময়। ঘটনাস্থল হতে উদ্ধার হয়েছে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা,১টি অস্ত্র ও ২ রাউন্ড গুলি এবং ২টি লম্বা দা।এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে শুক্রবার ভোররাতের দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং লম্বাবিল নাফনদী এলাকায়।বন্দুকযুদ্ধে নিহতরা হলেন,আবুল হাসিম (২৫)কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের ব্লক-এ/৩ এর সোলতান আহমেদের ছেলে,একই রোহিঙ্গা বস্তির ব্লক-সি/১ এর  নূর কামাল সে (১৯)আবু ছিদ্দিকের ছেলে।

লে. কর্নেল ফয়সাল হাসান খান-টেকনাফ-২ ব্যাটলিয়ন বিজিবি কমান্ডার বলেন,নাফনদীর কিনারায় টহল দিচ্ছিল হোয়াইক্যং বিওপির সদস্যরা বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে।এসময় হস্ত চালিত একটি নৌকায় করে কিছু লোক বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে।বিজিবি সদস্যরা উতপেতে থাকে।দুজন লোক কূলে নামা মাত্র বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড় দেয়।নৌকায় থাকা অন্যরা নিরাপদ আশ্রয় নেয়।পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিরা এই সময় বিজিবি সদস্যদের উপর গুলি বর্ষণ করে।নৌকায় থাকারাও গুলি চালায় তাদের দেখাদেখি।বিজিবি সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়।ঘটনাস্থল থেকে ২ জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয় উভয় পক্ষের এই গোলাগুলির ঘটনাটি নিয়ন্ত্রণে এলে। তাদেরকে টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।পকেটে থাকা পরিচয় পত্রে রোহিঙ্গা বলে সনাক্ত হয় তারা।বিজিবির তিন সদস্যও আহত হন এই ঘটনায় । টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছে তারা।লে. কর্নেল ফয়সাল হাসান খান আরো জানান,ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দেশীয় তৈরী ১টি এলজি,২ রাউন্ড তাজা গুলি,২টি রাম দা ও ৫০ হাজার পিস ইয়াবা।মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য।

সন্ত্রাসী-পুলিশ বন্দুকযুদ্ধে আমিনুর ইসলাম ক্যাসেট (৪০) নামের এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ভারাহুত (ভুতগাড়ী) গ্রামে।পিয়ারা গ্রামের মৃত আবুল খন্দকার ওরফে শাহাবুল ইসলামের ছেলে সে।পুলিশ জানায়,শুক্রবার ভোর ৩টার দিকে ভারাহুত গ্রামে অপহরণ ঘটানোর সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা।পুলিশ আত্মরক্ষার্থে গুলি চালালে ক্যাসেট আমিনুর ঘটনাস্থলে মারা যায়।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে একটি পিস্তল,৭ রাউন্ড গুলি, ১টি চাপাতি ও ৭৮ বোতল ফেন্সিডিল।ঘটনাটি নিশ্চিত করে পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনসুর রহমান বলেন,ক্যাসেট আমিনুর ছিল অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়,মাদক ব্যবসায়ী, ছিনতাইসহ প্রায় এক ডজন মামলার পলাতক আসামি।৩পুলিশ আহত হয়েছে তাদের হামলায়।

আব্দুল মোতালেব (৪২) নামের পাঁচ ডাকাতি মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ।এই ঘটনা ঘটে শুক্রবার ভোর রাতে গফরগাঁও-রসুলপুর আঞ্চলিক সড়কে।গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুরের ছয়ানী গ্রামের কেতু শেখ ওরফে আব্দুল গফুরের ছেলে নিহত মোতালেব।শাহ কামাল আকন্দ ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)জানান, ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে ডাকাতদল রাতে গফরগাঁও-রসুলপুর আঞ্চলিক সড়কে-গোপনসূত্রে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালায় সেখানে ডিবি পুলিশের দুটি দল।পুলিশের ওপর হামলা চালায় ডাকাতদল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ।আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় পুলিশ ।সহযোগী ডাকাতদল পালিয়ে গেলেও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মোতালেব নামে একজনকে পুলিশ আটক করে।আহত মোতালেবকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।পাঁচটি ডাকাতির মামলা রয়েছে মোতালেবের বিরুদ্ধে ।তিনি আরও জানান,আকরাম হোসেন নামে পুলিশের এক এসআই আহত হয়েছেন এই ঘটনায়।ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি পাইপগান, ১০ রাউন্ড গুলি ও বেশকিছু কার্তুজের খোঁসা।

বি: দ্র: প্রতীকী ছবি

About admin

Check Also

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের আবেদন যেভাবে করবেন।।

অনলাইন ডেস্ক :     গত মাসে প্রকাশিত হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *