Home / রাজশাহী / রাজশাহী চারঘাটে ৪থ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধষণের অভিযোগ।।

রাজশাহী চারঘাটে ৪থ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধষণের অভিযোগ।।

সংবাদদাতা: মোঃ সাইফুল ইসলাম রায়হান,চারঘাট রাজশাহী।

অনলাইন ডেস্ক: রাজশাহীর চারঘাটে ৪র্থ শ্রেনীর এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।সে পরানপুর ব্রাক স্কুলের একজন শিক্ষার্থী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার পরানপুর গ্রামের বাদশা আলীর ছেলে শরীফুল ইসলাম (৩৩) পার্শ্ববর্তী বাড়ির ৪র্থ শ্রেনীর এক ছাত্রী (০৯) কে কৌশলে ঐ ছাত্রীর বাসাতেই ধর্ষণ করে।ধর্ষনের সময় ঐ ছাত্রী কান্নাকাটি শুরু করলে তার মা আসলে ধর্ষক পালিয়ে যায়।পরে ছাত্রীর মা ছাত্রীটিকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ধর্ষনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।

ছাত্রীর মা জানায়, তাদের নিজ বাড়িতেই ছোট মুদি খানার দোকান রয়েছে।ঐ ধর্ষক মাঝে মধ্যেই দোকানে এসে জিনিসপত্র নিতো এবং আড্ডা দিতো।গত শনিবার সকালে ঐ ছাত্রীর বাবা দোকানের মাল কিনতে বাজারে যায়,আর তার মা যায় এনজিওর কিস্তির টাকা দিতে।বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ধর্ষক শরীফুল দোকানে জিনিস নিতে এসে বাড়িতে ঢ়ুকে পড়ে এবং ছাত্রীটিকে একা পেয়ে ধর্ষন করে।এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে চারঘাট মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন।

এদিকে ঐ ধর্ষক শনিবার রাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে ধর্ষনের বিষয়টা আপোষ করার চেষ্টা করে।তাতে ঐ ছাত্রীর পরিবার রাজি না হওয়ায় ধর্ষক নিজেই নিজের বাড়ির রান্না ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।ধর্ষক নিজেও এক কন্যা সন্তানের জনক।

ঐ স্কুল ছাত্রীর পিতা জানান, আমরা কেউ বাড়িতে না থাকায় শরীফুল কৌশলে বাড়িতে ঢ়ুকে আমার মেয়েকে ধর্ষন করেছে। আমি তার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই।শরীফুলের পরিবার ধর্ষনের বিষয়টা মিমাংসা করার জন্য আমাকে ও আমার পরিবারকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করছে।বিচার চেয়ে আমি নিজেই এখন নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছি।

চারঘাট মডেল থানার ওসি সমিত কুমার কুন্ডু জানান,আমরা এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

About admin

Check Also

রাজশাহীর বাঘায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বাড়ছে ঝুঁকি।।

মোঃ সাইফুল ইসলাম রায়হান-রাজশাহী। অনলাইন ডেস্ক :     রাজশাহী বাঘা স্বাস্হ্যবিধি না মানায় বাড়ছে ঝুঁকি। দ্বিতীয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *